বৃক্ষরোপণ অভিযান অনুচ্ছেদ দেয়া হল। তোমরা যারা ক্লাস ৬,৭,৮,৯,১০, এসএসসি, এইচএসসি শিক্ষার্থী আছো, তারা শিখে নিতে পার। তোমাদের আগামী পরীক্ষার জন্য এটি যদি গুরুত্বপূর্ণ হয়, তাহলে পড়ে আয়ত্ত করে নাও। তাহলে শুরু করা যাক-
| পোস্টের বিষয়বস্তু | অনুচ্ছেদ লিখন |
| অনুচ্ছেদ এর টপিক | বৃক্ষরোপণ অভিযান |
| প্রযোজ্য শ্রেণিসমূহ | ক্লাস ৬,৭,৮,৯,১০, এসএসসি, এইচএসসি |
আরো দেখুনঃ শীতের সকাল অনুচ্ছেদ
বৃক্ষরোপণ অভিযান অনুচ্ছেদ
জীবনের জন্য, বেঁচে থাকার জন্য বৃক্ষ অনিবার্য। আমাদের যে অক্সিজেন প্রয়োজন তা পাওয়া যায় বৃক্ষ থেকে। তাই বৃক্ষ মানব জীবনের এমন এক বন্ধু, যার কোনো বিকল্প নেই। মানুষ বুঝে অথবা না-বুঝে প্রয়োজন-অপ্রয়োজনে বৃক্ষ নিধন করছে। বনের পর বন উজাড় হয়ে যাচ্ছে। ধীরে ধীরে পরিবেশ দূষণ ঘটছে। পরিবেশ হয়ে উঠেছে ভারসাম্যহীন। তাই ভারসাম্য রক্ষার্থে ব্যাপকভাবে বৃক্ষ রোপণ অনিবার্য হয়ে উঠেছে।
পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি দেশের মোট আয়তনের ২৫ ভাগ বনভূমি একান্ত প্রয়োজন। কিন্তু সে তুলনায় আমাদের বনভূমি খুবই কম। বাংলাদেশের মোট আয়তনের মাত্র ১৬ ভাগ বনভূমি- যা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। তারপরও উপর্যুপরি জনসংখ্যাবৃদ্ধির ফলে কাঠের প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে, ফলে বনের পর বন উজাড় হচ্ছে। বনভূমির আয়তন ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে যা খুবই উদ্বেগের ব্যাপার।
এই অভাব পূরণের জন্য বাংলাদেশ সরকার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে, এ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যেও কাজ করে যাচ্ছে। তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় কম। আরও বিস্তৃত আকারে এ পদক্ষেপ নেওয়া আশু দরকার। মূলত পরিবেশ সংরক্ষণ ও বনায়নের জন্য কার্যকর ভূমিকা আবশ্যক। যেদিন সকলে বুঝবে বৃক্ষ ছাড়া মানুষের একদিনও চলে না, প্রতিটি নিশ্বাসে যে অক্সিজেন, তা বৃক্ষই উৎপাদন করে, সেদিনই কেবল ‘পরমবন্ধু বৃক্ষ’ নিধন রোধ হয়ে বৃক্ষ রোপণ অভিযান দ্রুত সম্প্রসারিত হবে।



