পরিবেশ দূষণ অনুচ্ছেদ: পরিবেশ দূষণ অনুচ্ছেদটি উপস্থাপন করা হল। তোমাদের যাদের সিলেবাসে আছে, তারা মুখস্থ করে রাখতে পার। আশা করি সকলেরই ভাল লাগবে। তাহলে দেরি না করে এখনি পড়া আরম্ভ করে দাও।
| পোস্টের বিষয়বস্তু | অনুচ্ছেদ লিখন |
| অনুচ্ছেদ এর টপিক | পরিবেশ দূষণ |
| প্রযোজ্য শ্রেণিসমূহ | ক্লাস ৬,৭,৮,৯,১০, এসএসসি, এইচএসসি |
পরিবেশ দূষণ অনুচ্ছেদ
আমরা যে পরিবেশে বাস করি তা প্রতিমুহূর্তে অনবরত দূষিত হচ্ছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে কলকারখানা ও যানবাহনের সংখ্যা বাড়ছে। এগুলো বেশি পরিমাণে বিষাক্ত বাষ্প ও কার্বন মনোঅক্সাইড উৎপাদন করে বায়ু দূষণের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এমনকি আমরা যে ভূমিতে বিচরণ করি তাও ময়লা আবর্জনায় দূষিত। শিল্পবর্জ্য, বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ও অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থের মাধ্যমে পানি দূষিত হয়। বন-জঙ্গল ও গাছপালা কেটে ফেলা হচ্ছে আর এভাবে পারিপার্শ্বিক ভারসাম্য বিঘ্নিত হচ্ছে। মোটরযান, উড়োজাহাজ, গৃহস্থালির যন্ত্রপাতি ইত্যাদি থেকে শব্দ হয় । এগুলো শব্দদূষণ ঘটায় যা অন্যান্য দূষণ থেকে কম ক্ষতিকর নয়। আমরা দূষণ থেকে পুরোপুরি মুক্ত না হতে পারলেও এটি ব্যাপক অংশে কমাতে ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। এটি নিয়ন্ত্রণ করতে আমাদেরকে প্রয়োজনীয় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আমি মনে করি, দূষণ কমাতে বিভিন্ন ধরনের দূষণ সম্পর্কে জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা হলো প্রথম পদক্ষেপ। বেশি পরিমাণে বৃক্ষরোপণ হচ্ছে বায়ু দূষণ কমানোর পূর্বশর্ত ও কার্যকর পয়ঃনিষ্কাশন প্রণালি ও রক্ষণাবেক্ষণ পানিদূষণ অনেকাংশে কমাতে পারে। সর্বাগ্রে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করা উচিত এবং রেডিও, টেলিভিশন ইত্যাদি থেকে সৃষ্ট শব্দ সহিষ্ণু মাত্রায় রাখা উচিত সর্বোপরি প্রকৃতির সাথে ভারসাম্য বজায় রেখে দূষণ থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করার চেষ্টা করতে হবে।



