আজকের আলোচ্য সারাংশ হচ্ছে মানুষের জীবনে ভাষার স্থান যে কত বড়ো তা আমরা খুব কমই ভেবে থাকি। তোমাদের বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য এখনি পড়ে শিখে রাখতে পার, আশা করি ভাল লাগবে। তাহলে পড়া আরম্ভ করে দাও-
| পোস্টের বিষয়বস্তু | সারাংশ লিখন |
| সারাংশ এর টপিক | মানুষের জীবনে ভাষার স্থান যে কত বড়ো তা আমরা খুব কমই ভেবে থাকি |
| প্রযোজ্য শ্রেণিসমূহ | ক্লাস ৬,৭,৮,৯,১০, এসএসসি, এইচএসসি |
এছাড়া পড়: অতীতকে ভুলে যাও সারাংশ
মানুষের জীবনে ভাষার স্থান সারাংশ
মানুষের জীবনে ভাষার স্থান যে কত বড়ো তা আমরা খুব কমই ভেবে থাকি । আমরা যেমন খাই দাই ওঠা বসা করি ও হেঁটে বেড়াই, তেমনি সমাজ জীবন চালু রাখবার জন্য কথা বলি, নানা বিষয়ে নানাভাবে। মানুষের সঙ্গে মানুষের সামাজিকতা বজায় রাখতে হলে তার প্রধান উপায়- কথা বলা, মুখ খোলা, আওয়াজ করা। একে অন্যের সঙ্গে সম্বন্ধ যেমনই হোক না কেন, শত্রুতার দিক ভালোবাসার, চেনা কি অচেনার, বন্ধুত্বের কিংবা মৌখিক আলাপ পরিচয়ের, মানুষের সঙ্গে মানুষের যেকোনো সম্বন্ধ স্থাপন করতে গেলেই মানুষ মাত্রই মুখ খুলতে হয়, কতকগুলো আওয়াজ করতে হয়। সে আওয়াজ বা ধ্বনিগুলোর একমাত্র শর্ত হচ্ছে যে সেগুলো অর্থবোধক হওয়া চাই।
সারাংশ: মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগ ও সামাজিকতা রক্ষার অপরিহার্য মাধ্যম ভাষা । ভাষা গড়ে ওঠে ধ্বনি ও শব্দ দিয়ে। ধ্বনিগুলো বা শব্দগুলো অর্থবোধক না হলে ভাষার কার্যকারিতা তথা মানুষের সামাজিকতা ব্যর্থ হয়। কাজেই মানুষের সঙ্গে মানুষের যেকোনো সম্বন্ধ স্থাপনের জন্য ধ্বনিগুলোর নির্দিষ্ট অর্থ থাকতে হবে।



